বাস্তুশাস্ত্র হলো প্রকৃতির পাঁচটা উপাদানের (জল, আকাশ, পৃথিবী, আগুন ও বায়ু) সঠিক সামঞ্জস্য বিধান করার বিজ্ঞান। একটি সুন্দর ও গোছানো ঘরে যখন সঠিক বাস্তু নিয়ম মেনে চলা হয়, তখন সেখানে ইতিবাচক শক্তি বা Positive Energy-র প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। এর ফলে পরিবারে সুখ, শান্তি, সুস্বাস্থ্য এবং আর্থিক সমৃদ্ধি বজায় থাকে।
আপনার ঘর, অফিস বা ফ্ল্যাট সাজানোর জন্য নিচে ১০০টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাস্তু টিপস দেওয়া হলো, যা আপনার জীবনকে আরও সুন্দর ও সফল করে তুলতে সাহায্য করবে।
১. মূল প্রবেশদ্বার ও ড্রয়িং রুমের বাস্তু নিয়ম (1-20)
১. প্রধান দরজা: বাড়ির মূল প্রবেশদ্বার বা প্রধান দরজা সবসময় উত্তর বা পূর্ব দিকে থাকা সবচেয়ে শুভ।
২. দরজায় বাধা: বাড়ির মূল দরজায় সামনে কোনো ধরনের খুঁটি বা গাছের বাধা থাকা উচিত নয়।
৩. বসার ঘর: ড্রয়িং রুম বা বসার ঘর সবসময় বাড়ির উত্তর বা পূর্ব দিকে হওয়া ভালো।
৪. পারিবারিক ছবি: বসার ঘরে পরিবারের হাসিখুশি বা আনন্দদায়ক ছবি সবসময় দক্ষিণ বা পশ্চিম দেওয়ালে টাঙানো উচিত।
৫. সোফার বিন্যাস: বসার ঘরে সোফা এমনভাবে রাখুন যাতে বসার সময় মুখ উত্তর বা পূর্ব দিকে থাকে।
৬. বেডরুমের দিক: শোবার ঘরে বিছানা সবসময় দক্ষিণ বা পূর্ব দিকে মাথা করে পাতা উচিত।
৭. আয়নার অবস্থান: শোবার ঘরে আয়না বা ড্রেসিং টেবিল এমন জায়গায় রাখা উচিত যাতে বিছানাটি আয়নায় দেখা না যায়।
৮. ইলেকট্রনিক্স: শোবার ঘরে অতিরিক্ত ইলেকট্রনিক্স বা টিভি না রাখাই ভালো, রাখলে রাতে ঢেকে রাখা উচিত।
৯. দম্পতির ঘর: বিবাহিত দম্পতিদের শোবার ঘরের জন্য দক্ষিণ-পশ্চিম (নৈঋত কোণ) দিকটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
১০. গ্যাসের চুলা: রান্নাঘরে গ্যাসের চুলা দক্ষিণ-পূর্ব কোণে (অগ্নি কোণ) রাখা বাধ্যতামূলক।
১১. রান্নার সময় মুখ: রান্না করার সময় রাঁধুনির মুখ সবসময় পূর্ব দিকে থাকা উচিত।
১২. পানীয় জল: পানীয় জল বা ফিল্টার রান্নাঘরের উত্তর বা উত্তর-পূর্ব দিকে রাখা শুভ।
১৩. বাথরুমের দিক: বাথরুম বা শৌচাগার ভুলেও উত্তর-পূর্ব (ঈশান কোণ) দিকে হওয়া উচিত নয়।
১৪. বাথরুমের দরজা: বাথরুমের দরজা সবসময় ব্যবহারের পরে বন্ধ রাখা উচিত।
১৫. জলের ট্যাঙ্ক: ওভারহেড জলের ট্যাঙ্ক বাড়ির দক্ষিণ-পশ্চিম বা পশ্চিম দিকে বসালে ভালো ফল পাওয়া যায়।
১৬. সিঁড়ির অবস্থান: বাড়ির সিঁড়ি নির্মাণের জন্য দক্ষিণ বা পশ্চিম দিক সবচেয়ে উপযুক্ত।
১৭. পড়ার টেবিল: পড়াশোনা বা পড়ার টেবিল ঘরের উত্তর বা পূর্ব দিকে স্থাপন করা উচিত।
১৮. ছাত্রদের মুখ: পড়ার সময় ছাত্র-ছাত্রীদের মুখ পূর্ব বা উত্তর দিকমুখী হওয়া ভালো।
১৯. ক্যাশ বাক্স: লকার বা ক্যাশ বাক্স খোলার সময় মুখ যেন সবসময় উত্তর দিকে হয়।
২০. পরিচ্ছন্নতা: বাড়ির ছাদ বা বারান্দায় কোনো আবর্জনা বা পুরোনো ভাঙা জিনিস জমতে দেবেন না।
২. গৃহসজ্জা, রঙ ও অভ্যন্তরীণ বাস্তু (21-40)
২১. ব্রহ্মস্থান: বাড়ির মাঝখান বা ব্রহ্মস্থান সবসময় পরিষ্কার, উন্মুক্ত ও ফাঁকা রাখা উচিত।
২২. ড্রয়িং রুমে শোওয়ার বিছানা: ড্রয়িং রুমে শোওয়ার জন্য আলাদা কোনো সোফা-বেড বা খাট না রাখাই শ্রেয়।
২৩. মৃদু আলো: শোবার ঘরে হালকা বা মৃদু আলোর ব্যবহার মানসিক শান্তি ও ইতিবাচকতা আনে।
২৪. বন্ধ ঘড়ি: ঘরে কোনো ঘড়ি নষ্ট হয়ে পড়ে থাকলে তা দ্রুত ঠিক করুন বা ফেলে দিন।
২৫. ডাইনিং টেবিল: খাওয়ার টেবিল ঘরের পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিকে স্থাপন করা শ্রেয়।
২৬. খাওয়ার সময় মুখ: খাওয়ার সময় পরিবারের প্রধানের মুখ পূর্ব বা উত্তর দিকে থাকা ভালো।
২৭. ক্যালেন্ডার: ক্যালেন্ডার বা ঘড়ি ঘরের উত্তর বা পূর্ব দেওয়ালে টাঙানো সবচেয়ে শুভ।
২৮. ঝাড়বাতি: শোবার ঘরে ঠিক বিছানার ওপরে ভারী ঝাড়বাতি বা ল্যাম্প ঝোলানো নিষেধ।
২৯. অ্যাকোয়ারিয়াম: বাড়িতে মাছের অ্যাকোয়ারিয়াম উত্তর বা উত্তর-পূর্ব দিকে রাখা অত্যন্ত শুভ।
৩০. ঝরনার ছবি: শোবার ঘরে জলপ্রপাত বা ঝরনার কোনো ছবি বা পেইন্টিং রাখবেন না।
৩১. দেওয়ালের রঙ: ঘরের দেওয়ালে হালকা হলুদ, সাদা বা হালকা নীল রঙের ব্যবহার পজিটিভ শক্তি বাড়ায়।
৩২. নোংরা বাসন: রান্নাঘরে নোংরা বা এঁটো বাসনপত্র সারারাত সিঙ্কে ফেলে রাখা উচিত নয়।
৩৩. ঝাড়ু ও খাঁচা: শোবার ঘরে ঝাড়ু বা খাঁচা বন্দি পাখি রাখা বাস্তু মতে নিষেধ।
৩৪. আলমারি: ঘরের ভারী আলমারি বা সিন্দুক দক্ষিণ বা পশ্চিম দেওয়ালে ঠেস দিয়ে রাখা উচিত।
৩৫. প্রাকৃতিক আলো: বাড়িতে প্রচুর পরিমাণে সকালের মিষ্টি রোদ প্রবেশ করা অত্যন্ত শুভ।
৩৬. রান্নাঘরের রঙ: রান্নাঘরের রঙ হলুদ, কমলা বা হালকা লাল (অগ্নি সংশ্লিষ্ট) হওয়া ভালো।
৩৭. জুতোর তাক: মেইন গেটের ঠিক সামনে জুতোর তাক বা শু-র্যাক রাখা সম্পূর্ণ অশুভ।
৩৮. ভাঙা কাঁচ: বাড়িতে ভাঙা কাঁচ বা ফাটল ধরা আয়না থাকলে তা অবিলম্বে ফেলে দিন।
৩৯. সিঁড়ির নিচে জায়গা: সিঁড়ির নিচে জুতো রাখা বা স্টোর রুম তৈরি করা এড়িয়ে চলুন।
৪০. কাঁটালো গাছ: ক্যাকটাসের মতো কাঁটাযুক্ত গাছ ঘরের ভেতরে রাখা উচিত নয়।
৩. শক্তি বৃদ্ধি ও নেতিবাচকতা দূর করার উপায় (41-60)
৪১. হিংস্র পশুর ছবি: ড্রয়িং রুমে কোনো হিংস্র পশু বা যুদ্ধের ছবি টাঙানো থেকে বিরত থাকুন।
৪২. বাথরুমের বালতি: বাথরুমের বালতি সবসময় খালি ও উপুড় করে রাখা ভালো।
৪৩. বালতির রঙ: বাথরুমে নীল বা সাদা রঙের বালতি ব্যবহার করা শুভ।
৪৪. পাপোশ: প্রধান দরজার সামনে সুন্দর পাপোশ রাখা জরুরি, যা বাইরের ধুলো ও নেতিবাচকতা আটকায়।
৪৫. কৃত্রিম ফুল: বাড়িতে কৃত্রিম ফুল বা শুকনো ফুল সাজিয়ে রাখা বাস্তু মতে ঠিক নয়।
৪৬. ভারী জিনিস: বাড়ির উত্তর বা পূর্ব দিকে কোনো ভারী আসবাবপত্র বা আলমারি রাখবেন না।
৪৭. খাটের নিচে জঞ্জাল: শোবার ঘরের খাটের নিচে জঞ্জাল বা অপ্রয়োজনীয় জিনিস জমা করবেন না।
৪৮. ভাঙা দেওয়াল: বাড়িতে ফাটল ধরা বা ভাঙা দেওয়াল থাকলে দ্রুত মেরামত করে নিন।
৪৯. ঈশান কোণের পরিচ্ছন্নতা: বাড়ির উত্তর-পূর্ব কোণে নোংরা জমলে আর্থিক ও মানসিক নানা বাধা আসে।
৫০. লক্ষ্মী-গণেশের প্রতীক: প্রধান দরজার ওপরে দেবী লক্ষ্মী বা গণেশের প্রতীক লাগান।
৫১. গ্যাস সিলিন্ডার: রান্নাঘরের গ্যাস সিলিন্ডার বা ওভেন দক্ষিণ-পূর্ব কোণে রাখুন।
৫২. বেডরুমের চাদর: শোবার ঘরে শান্তিদায়ক হালকা রঙের চাদর বা কুশন ব্যবহার করুন।
৫৩. দরজার শব্দ: প্রধান দরজা খোলার সময় কর্কশ শব্দ হলে তা তেল দিয়ে ঠিক করুন।
৫৪. বেসমেন্ট: নিচতলা বা বেসমেন্টে স্থায়ীভাবে বসবাস করা এড়িয়ে চলুন।
৫৫. ফ্যামিলি ফটো: পরিবারের ছবি ড্রয়িং রুমের দক্ষিণ বা পশ্চিম দেওয়ালে লাগান।
৫৬. প্রধান দরজার আলো: প্রধান প্রবেশদ্বারে পর্যাপ্ত আলো বা ব্রাইট লাইট জ্বালিয়ে রাখুন।
৫৭. পুজোর ঘণ্টা: নিয়মিত শঙ্খ বা ঘণ্টা বাজানো ঘরে পবিত্র পরিবেশ তৈরি করে।
৫৮. বারান্দার টব: বারান্দায় ভারী ফুলের টব রাখতে চাইলে দক্ষিণ বা পশ্চিম দিক বাছুন।
৫৯. সিঙ্ক ও চুলার দূরত্ব: রান্নাঘরে গ্যাসের চুলা এবং সিঙ্ক পাশাপাশি না রেখে দূরত্ব বজায় রাখুন।
৬০. ভেন্টিলেশন: ঘরের আলো-বাতাস চলাচলের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখুন, যাতে স্থবিরতা না আসে।
৪. ছোটখাটো কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বাস্তু টিপস (61-80)
৬১. স্বস্তিক চিহ্ন: মূল প্রবেশদ্বারে স্বস্তিক বা ওম (Om) চিহ্ন অঙ্কন করা অত্যন্ত মঙ্গলজনক।
৬২. মশলার কৌটো: রান্নাঘরের মশলার কৌটো দক্ষিণ-পূর্ব বা দক্ষিণ দিকে রাখুন।
৬৩. খাটের উচ্চতা: বিছানা মেঝে থেকে পরিমিত উচ্চতায় রাখুন এবং তলা পরিষ্কার রাখুন।
৬৪. আয়নার দেওয়াল: আয়না সবসময় উত্তর বা পূর্ব দেওয়ালের দিকে রাখুন।
৬৫. ইনডোর ফাউন্টেন: ড্রয়িং রুমে জলপ্রপাতের শো-পিস বা ফাউন্টেন উত্তর-পূর্ব দিকে রাখুন।
৬৬. শিশুদের পড়ার ঘর: শিশুদের পড়র টেবিলে হালকা সবুজ বা হলুদ রঙে মনোযোগ বাড়ে।
৬৭. ভেতরের দিকে দরজা: মূল প্রবেশদ্বারের দরজা সবসময় ভেতরের দিকে খোলা শুভ।
৬৮. ঝাড়ু রাখা: ঝাঁড়ু এমন জায়গায় রাখুন যা বাইরে থেকে সহজে দেখা যায় না এবং শুপিয়ে রাখুন।
৬৯. কাপড় শুকানো: মূল দরজার ঠিক ওপরে বা সামনে কাপড় শুকাতে দেবেন না।
৭০. নতুন কাজের আগে: নতুন কাজ শুরুর আগে লকার বা আলমারি পুঙ্খানুপুঙ্খ পরিষ্কার করুন।
৭১. সন্ধ্যাবেলার আলো: সন্ধ্যাবেলা বা রাতে মূল দরজার বাইরে আলো জ্বালানো অত্যন্ত শুভ।
৭২. শয়নকক্ষের ছবি: শয়নকক্ষে একা থাকা দুঃখজনক মানুষের ছবি বা পেইন্টিং এড়িয়ে চলুন।
৭৩. জলের লিক: রান্নাঘরের পাইপ বা সিঙ্ক থেকে জল লিক হওয়া আর্থিক অপচয়ের লক্ষণ।
৭৪. পুজোর সময় মুখ: ঠাকুরঘরে প্রদীপ জ্বালানোর সময় পূর্ব বা উত্তর দিকে মুখ করুন।
৭৫. স্যাঁতসেঁতে ভাব: ঘরের কোনো কোণে স্যাঁতসেঁতে ভাব থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার ও শুকনা রাখুন।
৭৬. পূর্বপুরুষদের ছবি: মৃত ব্যক্তি বা পূর্বপুরুষদের ছবি ঘরের দক্ষিণ দেওয়ালে বা দক্ষিণ দিকে রাখুন।
৭৭. পিতলের শো-পিস: পিতলের হাতি বা ঘোড়ার শো-পিস উত্তর বা পূর্ব দিকে রাখা ভালো।
৭৮. রাতের বেলা আয়না ঢেকে রাখা: শোবার ঘরের আয়না খোলা থাকলে রাতে তা কাপড় দিয়ে ঢেকে দিন।
৭৯. নেমপ্লেট: প্রধান দরজার বাইরে সুন্দর নেমপ্লেট পজিটিভ এনার্জি ও সৌভাগ্য টানে।
৮০. রান্নার পরিচ্ছন্নতা: রান্নার সময় পাত্র সবসময় পরিষ্কার এবং ঢাকনা দিয়ে ঢাকা রাখুন।
৫. সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধির শেষ ২০টি বাস্তু টিপস (81-100)
৮১. মূর্তির মুখ: ঠাকুরঘরে দেব-দেবীর মূর্তিগুলির মুখ পরস্পরের দিকে বা ঘরের ভেতরের দিকে রাখুন।
৮২. মাথার ওপর তাক: শোবার ঘরের খাটে মাথার ওপর ভারী তাক বা বইপত্র রাখবেন না।
৮৩. পাখির বাসা: বাড়িতে পাখি বা কবুতর বাসা বাঁধলে তা অত্যন্ত সৌভাগ্যের লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়।
৮৪. কোট হাঙ্গার: দরজার আড়ালে কোট হাঙ্গার বা ঝোলানোর জিনিস পরিপাটি করে রাখুন।
৮৫. ভারী শো-পিস: ড্রয়িং রুমে ভারী শো-পিস বা মূর্তি দক্ষিণ বা পশ্চিম দিকে রাখুন।
৮৬. ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি: মাইক্রোওয়েভ বা মিক্সার গ্রাইন্ডার রান্নাঘরের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে রাখুন।
৮৭. লতানো গাছ: বারান্দায় লতানো গাছ থাকলে তা উত্তর বা পূর্ব দিকে লতিয়ে দিন।
৮৮. এক্সজস্ট ফ্যান: ভেন্টিলেশনের সমস্যা থাকলে ভালো মানের এক্সজস্ট ফ্যান ব্যবহার করুন।
৮৯. পাপোশের নিচে মুদ্রা: লোকবিশ্বাস অনুযায়ী পাপোশের নিচে মুদ্রা রাখা ধনসম্পদকে আকর্ষণ করে।
৯০. পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা: পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন স্থানেই মা লক্ষ্মীর স্থায়ী বাস হয়।
৯১. প্রধান দরজার উচ্চতা: ঘরের অন্যান্য দরজার তুলনায় মূল দরজাটি সবসময় আকারে বড় হওয়া উচিত।
৯২. হলুদ রঙের ব্যবহার: ঘরের প্রবেশদ্বারে হলুদের ছোঁয়া বা হলুদ ফুল রাখা শুভ।
৯৩. তুলসী গাছ: বাড়ির উত্তর বা পূর্ব দিকে একটি পবিত্র তুলসী গাছ অবশ্যই রাখুন।
৯৪. শুকনো গাছপালা: ব্যালকনিতে কোনো শুকনো বা মরা গাছ রাখবেন না।
৯৫. বেডরুমের রঙ: বেডরুমে গোলাপি, হালকা নীল বা পেস্ট রঙ ব্যবহার করলে দম্পতির সম্পর্ক ভালো থাকে।
৯৬. উদ্বাস্তু ছবি: ঘরে কোনো যুদ্ধ, কান্না বা দুঃখের ছবি ফ্রেমে বাঁধিয়ে রাখবেন না।
৯৭. পর্দার রঙ: লিভিং রুমে হালকা এবং উজ্জ্বল রঙের পর্দা ব্যবহার করুন।
৯৮. ধূপকাঠি ও প্রদীপ: প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় ঘরে সুগন্ধি ধূপ ও প্রদীপ জ্বালান।
৯৯. প্রধান দরজার সংখ্যা: বাড়িতে জোড় সংখ্যায় দরজা ও জানালা থাকা শুভ বলে মনে করা হয়।
১০০. সकारात्मक চিন্তা: বাস্তু নিয়মের পাশাপাশি নিজের মনে ইতিবাচক ভাবনা রাখলে ঘরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শান্তি বজায় থাকে।
উপসংহার (Conclusion)
বাস্তুশাস্ত্রের এই নিয়মগুলো সম্পূর্ণ মেনে চলা হয়তো সবসময় সব ঘরের ক্ষেত্রে সম্ভব হয় না, তবে বড় বড় ত্রুটিগুলো সংশোধন করে নিলেই ঘরের পরিবেশ আমূল বদলে যেতে পারে। আপনার ঘরকে পজিটিভ এনার্জিতে ভরিয়ে তুলতে আজই এই টিপসগুলো মেনে চলুন এবং ব্লগটি আপনার বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে শেয়ার করুন!